★★★★★
সাপ্তাহিক লেসনগুলো থেকে তো শিখছিই, তবে আমার সবচেয়ে বেশি কাজে লাগছে মেম্বারশিপ কমিউনিটি। অন্য চিকিৎসকরা তাদের নিজ নিজ স্পেশালটিতে কীভাবে এআই কাজে লাগাচ্ছেন, সেই প্র্যাকটিক্যাল ইউজ-কেসগুলো যখন তারা গ্রুপে শেয়ার করেন—তখন প্রতিদিন নতুন নতুন আইডিয়া পাওয়া যায়, যা একা ভিডিও দেখে শেখা সম্ভব নয়।
ফ
ডা. ফারিহা জামান
ডার্মাটোলজিস্ট
★★★★★
ডিউটির ফাঁকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে কোনো কোর্স করা আমাদের জন্য এক প্রকার অসম্ভব। হেলথ টেক স্কুলের ভিডিওগুলো খুব ছোট ছোট এবং একদম টু-দ্যা-পয়েন্ট। আমি হয়তো একটা ভিডিও অর্ধেক দেখেছি, হঠাৎ ইমার্জেন্সি কল পেলে চলে যাই। পরে ফিরে এসে ঠিক সেখান থেকেই আবার শুরু করতে পারি। আমাদের রুটিনের কথা মেনেই এগুলো বানানো হয়েছে।
ফ
ডা. ফাহমিদা সুলতানা
রেসিডেন্ট ফিজিশিয়ান, পেডিয়াট্রিক্স
★★★★★
আমি টেকনোলজির ব্যাপারে খুব একটা পারদর্শী নই। ভেবেছিলাম এআই ব্যবহার করা হয়তো অনেক কোডিং বা জটিল কোনো ব্যাপার। কিন্তু এখানকার টুলগুলো এমনভাবে সাজানো যে, জাস্ট রেডিমেড টেমপ্লেটে নিজের দরকারি কথা বসিয়ে দিলেই কাজ হয়ে যায়। থিওরির চেয়ে এই প্র্যাকটিক্যাল চিটশিটগুলোই আমার সবচেয়ে বেশি উপকারে এসেছে।
ম
ডা. মোস্তাফিজুর রহমান
ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান
★★★★★
বেশিরভাগ এআই কোর্সই হলো আইটি প্রফেশনালদের জন্য। কিন্তু এই প্ল্যাটফর্মটি পুরোপুরি চিকিৎসকদের জন্য বানানো। কীভাবে কেস হিস্ট্রি এনালাইজ করতে হয়, তার রেডিমেড টেমপ্লেটগুলো আমার প্রাত্যহিক কাজকে অনেক সহজ করে দিয়েছে।
ই
ডা. ইমতিয়াজ হাসান
পেডিয়াট্রিশিয়ান
★★★★★
প্রতিদিন এত রোগী দেখার পর মেডিকেল লিটারেচার রিভিউ করার এনার্জি থাকত না। হেলথ টেক স্কুলের ‘প্রম্পট প্লেবুক’ ব্যবহার করে এখন যেকোনো বড় রিসার্চ পেপারের সামারি কয়েক মিনিটে পেয়ে যাই। সাপ্তাহিক লেসনগুলো এতটাই পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট যে, ডিউটির ফাঁকেও শিখে নেওয়া যায়।
ফ
ডা. ফয়সাল আহমেদ
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
★★★★★
ঢাকার জ্যামে প্রতিদিন আমার অন্তত ২ ঘণ্টা নষ্ট হয়। হেলথ টেক স্কুলের অডিও লেসনগুলো আমার এই বোরিং সময়টাকে পুরোপুরি প্রোডাক্টিভ করে দিয়েছে। এখন জ্যামে বসে বা নিজে ড্রাইভ করার সময় গাড়িতে লেসনগুলো প্লে করে দিই। চেম্বারে পৌঁছানোর আগেই দারুণ কিছু নতুন জিনিস শেখা হয়ে যায়!
ত
ডা. তানভীর আহমেদ
কনসালট্যান্ট, রেসপিরেটরি মেডিসিন
★★★★★
একা একা ভিডিও দেখে শেখার চেয়ে কমিউনিটিতে আলোচনা করে শেখাটা অনেক বেশি কার্যকর। রোগীর ডেটা প্রাইভেসি নিয়ে আমার বেশ কিছু কনফিউশন ছিল। কমিউনিটিতে একটা প্রশ্ন পোস্ট করার পর এক্সপার্ট এবং সিনিয়র কনসালট্যান্টদের আলোচনায় কনসেপ্টটা একদম ক্লিয়ার হয়ে গেছে। এখানকার লাইভ ওয়ার্কশপগুলোও চমৎকার।
ম
ডা. মাহমুদুর রহমান
সিনিয়র কনসালট্যান্ট, কার্ডিওলজি
★★★★★
আমার চেম্বারের পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট ও ফলো-আপ শিডিউল নিয়ে বেশ ঝামেলা পোহাতে হচ্ছিল। প্ল্যাটফর্মের ফোরামে এ বিষয়ে একটা পোস্ট করতেই আরেকজন কনসালট্যান্ট তার নিজের ব্যবহার করা একটি এআই টেমপ্লেট শেয়ার করলেন, যা আমার অ্যাডমিনের কাজ অর্ধেক কমিয়ে দিয়েছে। হেলথ টেক স্কুলের এই নেটওয়ার্কিং সাপোর্টটা আসলেই অমূল্য!
শ
ডা. শায়লা শারমিন
এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট
★★★★★
কোর্সের শেষে যে ভেরিফায়েড সার্টিফিকেটটা পেয়েছি, সেটা সরাসরি আমার লিংকডইনে অ্যাড করেছি। দেশে চিকিৎসকদের জন্য এরকম প্রফেশনাল এবং আপ-টু-ডেট স্কিল বিল্ডিং প্ল্যাটফর্ম আগে দেখিনি।
ত
ডা. তাসনিম চৌধুরী
রেসিডেন্ট সার্জন
★★★★★
ছোট একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালাতে গিয়ে প্রতিদিন প্রচুর রিপোর্টিং এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাজ করতে হয়। এখানকার টুলস ডিরেক্টরি আর চিটশিটগুলো আমার স্টাফদের কাজ অর্ধেকের বেশি কমিয়ে দিয়েছে। এটি আসলেই দারুণ একটি ইনভেস্টমেন্ট!
শ
শফিকুল ইসলাম
পরিচালক, লাইফকেয়ার
★★★★★
ওয়ার্ডের ডিউটি, আইটেম আর পরীক্ষার চাপে নতুন কিছু শেখা প্রায় অসম্ভব। কিন্তু হেলথ টেক স্কুলের লেসনগুলো সপ্তাহে মাত্র এক ঘণ্টার হওয়ায় খুব সহজেই রুটিনে ফিট হয়ে গেছে। জটিল প্যাথলজি টপিকগুলো এআই দিয়ে কীভাবে সহজে বোঝা যায়, সেটা এখান থেকেই শিখেছি।
ন
নাফিস মাহমুদ
শিক্ষার্থী, ঢাকা মেডিকেল কলেজ
★★★★★
আমি সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছি ই-বুক আর অডিও লেসনগুলো থেকে। বাসে বসে কানে হেডফোন দিয়ে লেসনগুলো শুনে নিই। আর সিভিতে যোগ করার জন্য এখানকার ভেরিফায়েড সার্টিফিকেটগুলো অনেক উপকারী।
র
রাকিবুল হাসান
৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ